মঙ্গলবার , ১২ মে, ২০২৬
দীর্ঘদিন পর নিজের স্মৃতিবিজড়িত বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফিরেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছালে শিক্ষার্থীরা তাকে উষ্ণ ও প্রাণবন্ত অভ্যর্থনা জানান। সেখানে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
তারুণ্যের প্রত্যাশা ও আগামীর বাংলাদেশ
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাদের প্রত্যাশা ও উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের সৃজনশীল আইডিয়াগুলো শোনেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশের মূল কারিগর। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, উচ্চশিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং গবেষণাবান্ধব ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা
মতবিনিময় সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঐতিহাসিক উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে প্রশাসনের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
পুরো আয়োজনের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান। এছাড়া অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।
উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আবেগঘন মুহূর্ত
নিজের সাবেক ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীর আগমনে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ সময় পর তাকে কাছে পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। মতবিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরে দেখেন এবং বর্তমান ছাত্র রাজনীতির পরিবেশ ও শিক্ষার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ এবং সিনিয়র শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এই পদক্ষেপকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ‘গণমানুষের সরকার’ এবং ‘তারুণ্যের শক্তির প্রতি সম্মান’ হিসেবে দেখছেন।
