ঢাকাTuesday , 7 July 2026
  1. অনিয়ম ও দুর্নীতি
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি
  4. আইন ও বিচার বিভাগ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম ও জীবন
  7. কৃষি
  8. খবর
  9. খেলা
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. নগর/মহানগর
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুপার সাব মেরিনোর গোলে পর্তুগালকে বিদায় করে কোয়ার্টারে স্পেন

Link Copied!

ঢাকা, ৭ জুলাই ২০২৬ (বাসস): বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর ইনজুরি টাইমের গোলে পর্তুগালকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্পেন।

ডালাসের এটিএন্ডটি স্টেডিয়ামে ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন মেরিনো।

এই ম্যাচের মাধ্যমে পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারও শেষ হয়ে গেল।

৭০ হাজার ৬৪৯ জন দর্শকে পরিপূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ডালাস কাউবয়েজে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি কাগজে-কলমে যতটা আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল বাস্তবে ততটা রোমাঞ্চ ছড়াতে পারেনি।

ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেসের চমৎকার একটি পাস বাড়ান মেরিনোর উদ্দেশে। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে মেরিনো গোল করে স্পেনকে জয় উপহার দেন।

এর মাধ্যমে ৪১ বছর বয়সি রোনালদোর বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি তিক্ত পরিণতিতে শেষ হয়। বর্তমানে সৌদি আরবে খেলা রোনালদো ম্যাচের আগের দিনই নিশ্চিত করেছিলেন, এটাই হবে ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ।

দুই প্রতিবেশী দেশই অপরাজিত অবস্থায় এই ম্যাচে নেমেছিল। তবে পর্তুগাল খুব একটা দাপুটে ফুটবল খেলতে পারেনি, অন্যদিকে স্পেন পুরো টুর্নামেন্টে একটি গোলও হজম করেনি।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত স্পেন এই ম্যাচের পরও সেই রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল।

ঐতিহ্য, প্রতিভা ও ইতিহাসে সমৃদ্ধ হলেও স্পেন এখন পর্যন্ত মাত্র একবার, ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে। অন্যদিকে পর্তুগালের সেরা সাফল্য ১৯৬৬ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন।

রোনালদো এবং স্পেনের ১৮ বছর বয়সি লামিন ইয়ামালকে ঘিরে শেষ ষোলোর এই লড়াইকে ক্যারিয়ারের দুই ভিন্ন প্রান্তে থাকা দুই অসাধারণ প্রতিভার দ্বৈরথ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল।

ম্যাচের ১০ মিনিটে স্পেনের এগিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। ডানি ওলমোর বাড়ানো বল থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।

পর্তুগাল অধিনায়ক রোনালদোর নেয়া একটি শক্তিশালী শট দক্ষতার সঙ্গে ঠেকিয়ে দেন স্পেন গোলরক্ষক উনাই সাইমন।

কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তের স্পেন এরপর চাপ বাড়ায়। ইয়ামাল ও এ্যালেক্স বায়েনার পরপর দুটি শটে দিয়োগো কস্তাকে ব্যস্ত রাখে। বিশেষ করে দ্বিতীয় শটটি অসাধারণ দক্ষতায় রক্ষা করেন কস্তা।

ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা রোনালদোকে পুরো ম্যাচে প্রভাব ছিল সীমিত।

প্রথমার্ধের শেষদিকে পর্তুগালই বেশি আক্রমণাত্মক ছিল। কোচ রবার্তো মার্টিনেজের দল গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল, নুনো মেন্ডেসের শট স্পেনের ফুল-ব্যাক পেড্রো পোরো মাথা দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে নিজের ক্রসবারে লাগান। এ যাত্রা কোনোমতে রক্ষা পায় স্পেন।

ইয়ামাল পুরো ম্যাচে নুনো মেন্ডেসের বিপক্ষে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তবে ৫৬ মিনিটে চোট পেয়ে মেন্ডেস মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন, যা পর্তুগালের জন্য বড় ধাক্কা ছিল।

রবার্তো মার্তিনেজ ৭১ ও ৮৩ মিনিটে দুটি করে পরিবর্তন আনলেও রোনালদোকে মাঠেই রাখেন।

শেষ পর্যন্ত সতর্ক ও রক্ষণাত্মক এই ম্যাচে শেষ হাসি হাসেন আর্সেনাল মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।