বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সম্প্রীতির কড়া বার্তা:
সম্প্রতি এক জনসভায় সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিজয় বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। সাম্প্রদায়িক উস্কানি বা বিভাজনের রাজনীতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “মুসলিমরা আমাদের ভাই। তাদের ওপর কোনো ধরনের অন্যায় বা নির্যাতন বরদাশত করা হবে না। সম্প্রীতি রক্ষায় যদি কঠোর হওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
তার এই বক্তব্যকে অনেকেই ভারতের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে যারা ধর্মের নামে বিভাজন তৈরি করতে চায়, তাদের প্রতি এটি একটি প্রত্যক্ষ হুঁশিয়ারি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জনগণের ভালোবাসা ও রাজনৈতিক প্রভাব:
২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজয়ের এই অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি তার বক্তব্যে বারবার জোর দিচ্ছেন যে, তার দল কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের নয়, বরং সকল সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করবে। মুসলিম এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি তার এই সহমর্মিতা সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজয়ের ভক্তরা তার এই বক্তব্যকে ‘বিপ্লবী’ বলে অভিহিত করেছেন। অনেক নেটিজেন লিখেছেন, “থালাপতি বিজয় কেবল সিনেমার হিরো নন, তিনি বাস্তবেরও জননায়ক!
