ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৪ মে ২০২৬
  1. অনিয়ম ও দুর্নীতি
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি
  4. আইন ও বিচার বিভাগ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. ইসলাম ও জীবন
  8. কৃষি
  9. খেলা
  10. চাকরি
  11. জাতীয়
  12. জেলা সংবাদ
  13. ধর্ম
  14. নগর/মহানগর
  15. নির্বাচন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২০২৬-২৭ বাজেটে তামাকজাত পণ্যের মূল্যস্তর কমানো ও শুল্ক বৃদ্ধির দাবি

মোঃ হুমায়ুন কবির
মে ১৪, ২০২৬ ৩:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে তামাকজাত পন্যে কার্যকর করারোপ ও মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

মোঃ হুমায়ুন কবিরঃ ঢাকা। ১৪ মে, ২০২৬

আজ ১৪ মে সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকা রিপোটার্স শফিকুল কবির মিলনায়তনে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা হ্রাস, সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি প্রবর্তন এবং সব ধরনের তামাকপণ্যের কার্যকরভাবে করারোপের দাবি জানানো হয়েছে। প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে কমবে তামাকের ব্যবহার ও অকাল মৃত্যু এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

আহছানিয়া মিশন আয়োজিত ‘আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্যে করারোপ ও মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি জানানো হয়।

সম্মেলনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য ও অর্থনিতি পরিচালক অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এবং বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসুদউল হক।

সংবাদ সম্মেলনে সিগারেটের চারটি স্তরের মধ্যে নিম্ন ও মধ্যম- এই দুটি স্তরকে একত্রিত করে নতুন তিন স্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম যথাক্রমে ১০০ টাকা, ১৫০ টাকা, ও ২০০ টাকা নির্ধারণ এবং সকল স্তরে ৬৭% সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ এবং একইসঙ্গে বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের সুপারিশ করা হয়। একইসাথে সব তামাকপণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখার দাবি জানানো হয়।

বক্তারা জানান, সিগারেট করকাঠামোয় প্রস্তাবিত সংষ্কার বাস্তবায়ন করা হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি বধির্ত রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির ওপর বিদ্যমান চাপ মোকাবেলার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি, সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা বিদ্যমান চারটি থেকে তিনটিতে নামিয়ে আনলে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী ধূমপানে বিশেষভাবে নিরুৎসাহিত হবে। এবং তামাক খাত থেকে প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় সম্ভব হবে, যা বর্তমান অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেশি।

ড. শাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, বিগত ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তামাকপণ্য ও নিত্যপণ্যের দামের তারতম্য তুলনা করলে দেখা যায়, এই সময়ে চিনির দাম বেড়েছে ৮৮.৯৭ শতাংশ, আলুর দাম বেড়েছে ৮৬.৫৮ শতাংশ, আটার দাম বেড়েছে ৭৫.০৯ শতাংশ অন্যদিকে নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ১৫.৩৮ শতাংশ, মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ৬.৩৫ শতাংশ, প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম বেড়েছে ১১.১১ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোক্তা মধ্যম স্তরের সিগারেটের সেটির দাম বেড়েছে সবচেয়ে কম, অর্থাৎ নিত্যপণ্যের তুলনায় সিগারেট আরও সস্তা হয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত।

মাইনুল হাসান সোহেল জানান, বাজারে চাল-ডাল, তেল-লবনসহ সবকিছুর দামই বাড়ছে, কিন্তু বিড়ি-সিগারেটের দাম তেমন বাড়ে না, তাই এগুলো এখনো সবার, বিশেষ করে তরুণ আর নিম্ন আয়ের মানুষের হাতের নাগালেই রয়ে গেছে। এ জন্য তামাক সেবন কমছে না, বরং আরও বাড়ছে। তাই তামাকজাত দ্রব্যের কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধি করে তামাকজাত দ্রব্যকে তরুণদের নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে হবে।

মাসুদউল হক জানান, বাংলাদেশে তামাকজাত পণ্যের সহজলভ্যতার কারণে প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় ২ লক্ষ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ১৮ শতাংশ। বর্তমান সরকার যেমন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বদ্ধ পরিকর তেমনি তামাক নিয়ন্ত্রণেও তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। আসন্ন বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যে কর ও মূল্য বৃদ্ধি করে সে লক্ষ্যে আরও এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর শরিফুল ইসলাম, আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর মারজানা মুনতাহা এবং ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আরিফুর রহমান টিপু

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।