প্রথম আলো পত্রিকা ও কুষ্টিয়ার উন্নয়ন

এনামুল হক রাসেল এনামুল হক রাসেল

,সম্পাদক, দ্য বিডি রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৫:৪৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০২০

হাজী রবিউল ইসলাম: গত কয়েকদিন আগে প্রথম আলো পত্রিকা জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি মহোদয়কে নিয়ে দফায় দফায় কানাডা যাওয়া সম্বন্ধে দায়িত্বহীন মন্তব্য নিয়ে কোন কিছু লেখার আগ্রহ আমার একেবারেই ছিলনা।

 

 

কারণ ঐ লেখাটি আমি পড়েছি, এটাকে চোখ থাকিতে অন্ধের সাথে তুলনা করা চলে।  মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি মহোদয়ের মতো, বাংলাদেশের সব আসনে থাকতো, তাহলে আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র পরিশ্রম অনেকটায় কমে যেত, বিগত ২০১৪ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমপি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে জনাব হানিফ মহোদয় এত উন্নয়ন করেছে যা কি না প্রথম আলোর মতো মতলব বাজ সাংবাদিকদের কখনো চোখেই পড়েনি, অথবা তারা দেখেও না দেখার ভান করেছে, কারণ আমরা জানি, তারা অন্য দল ও মতের প্রতিষ্ঠিত এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। তা না হলে,

 

 

১। ১ হাজার কোটি টাকার মেডিকেল কলেজ
২।১০০ কোটি টাকার শহর বাইপাস সড়ক
৩।১১৫ কোটি টাকার শেখ রাসেল হরিপুর সেতু
৪।৫০ কোটি টাকার অত্যাধুনিক শিল্পকলা
৫। ৫০ কোটি টাকার আধুনিক স্টেডিয়াম
৬। ১২ কোটি টাকার সকল সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি মন্দির
৭। ২২ কোটি টাকার মসজিদ কমপ্লেক্স
৮। ২০ কোটি টাকার অডিটোরিয়াম
৯। ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ টাওয়ার।
১০। শহরের পূর্ব পাশে মনোরম পরিবেশে একটি পার্ক।
১১। খুলনা বিভাগের মধ্যে সেরা সার্কিট হাউজ।
১২। ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক সুইমিং পুল।

এছাড়া স্কুল,কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা,রাস্তা – ঘাট কি না করেছেন তিনি! যা কি না ছোট্ট লেখার মাধ্যমে শেষ করা সম্ভব নয়।

 

উপরের উল্লেখিত সকল উন্নয়ন যা কেবল মাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমলে জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি মহোদয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেছেন। এগুলো করতে গিয়ে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত পরিশ্রম করে এলাকায় মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। অথচ বিগত বছর গুলোতে প্রথম আলোর মতো পত্রিকা গুলোর চোখে পড়েনি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আর একটি কথা বলা দরকার সরকারি উন্নয়ন, দলের শৃঙ্খলা, এবং কুষ্টিয়া সন্ত্রাস কবলিত এলাকাতে সন্ত্রাস মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। আমরা যখন দেখি প্রথম আলোর মতো পত্রিকা গুলো তাদের সংকীর্ণ ভাবনা থেকে সন্তানকে পিতার থেকে আলাদা দেখলে আনন্দ পায় তারা কোন মানুষিকতার লোক তার বিচারের ভার দেশবাসীসহ সকলের কাছে রাখলাম। এই করোনা কালে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ায় তিনি ৪ বার এলাকা পরিদর্শন করেছেন, স্বাস্থ্য বিধিমেনে সকল নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন তাছাড়া সকল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন।

 

প্রশাসনের সঙ্গে মত বিনিময় কালে ডাক্তারদের নিয়ে করণীয় দিক গুলো খুজে বের করার চেষ্টা করেছেন। আলোচনা কালে জানা যায় কুষ্টিয়াতে ১ টি পিসিআর ল্যাব অত্যন্ত প্রয়োজন তিনি ৭ দিনের মধ্যে পিসিআর ল্যাব প্রতিষ্ঠিত করে তা উদ্ভোধন করেন। যা কুষ্টিয়া জেলা সহ আসে পাশের ৫ টি জেলার মানুষের নমুনা সংগ্রহ এবং রিপোর্ট প্রদান করে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন । গণ মাধ্যম কর্মীদের কাছে আমার প্রত্যাশা গঠনমূলক সমালোচনাকে নেতা সহ আমরা সকলে স্বাগতম জানায় কিন্তু মতলব বাজি এবং হলুদ সাংবাদিকতা কারোর কাম্য হতে পারেনা।

 

 

আমরা যারা রাজনীতি করি আমাদের পরিবার বলতে আমরা দল ও দেশের জনগণকে বুঝি এর ফাঁকে যতটুকু সময় পরিবারকে দিতে পারি সেটা নিয়ে বাকা চোখে না দেখলেই আমরা খুশি হব কারণ পরিবারের প্রতি নিশ্চয় আমাদের দায়িত্ব আছে।কথা গুলো লিখতাম না যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সত্যের বিরুদ্ধে মিথ্যার প্রপাকান্ডা মোকাবেলা করা এবং উন্নয়ন গুলো জনসম্নুখে তুলে ধরতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আমি যে উন্নয়নের কথা গুলো উল্লেখ করেছি সেগুলো যাচাই এর জন্য প্রথম আলো সহ অন্যান্য পত্রিকা গুলোকে আমি আহবান জানাচ্ছি। আমি যা বলেছি রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে বলেছি,যার কোন অংশ মিথ্যা নয়। তাছাড়া প্রতিদিন নেতার সঙ্গে ডিজিটাল বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তি সুবাদে নেতা কর্মীরা একজোট হয়ে কাজ করে যাচ্ছি করোনার বিরুদ্ধে।

 

কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আতাউর রহমান আতা এব্যাপারে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আশা করি আগামী দিনে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি কর সংবাদ থেকে বিরত থাকলে আমরা খুশি হব।

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব, হাজী রবিউল ইসলাম
চেয়ারম্যান
জেলা পরিষদ, কুষ্টিয়া।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।