দৌলতপুর এমপি’র চরাঞ্চলে সুইচ টিপে বিদ্যুৎ সংযোগ কাজের উদ্বোধন

প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩, ২০২১

 

দৌলতপুর প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রায় ৫০ হাজার জনসংখ্যার ৩৮টি গ্রামে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ কাজের উদ্বোধন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আ.কা.ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ। উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হলো ৭টি গ্রামে। চলমান এই প্রকল্পটির মধ্যদিয়ে নির্বাচনী এলাকায় দেয়া সংসদ সদস্য সরওয়ার জাহান বাদশাহ’র আরও একটি অঙ্গিকার পুরোন হতে চলেছে।

নতুন এই বিদ্যুৎ সংযোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আ. কা. ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ।

রোববার দুপুর ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে ইউনিয়ন দু’টির বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করেন দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য আ. কা. ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডলের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এজাজ আহমেদ মামুন,

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সোহরাব উদ্দিন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মহিউদ্দিন, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি রেজওয়ান আলী খান। বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সদস্য নাসির উদ্দিন মাষ্টার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার তৌহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম শেলী দেওয়ান, সাবেক তথ্যবিষয়ক সম্পাদক টিপু নেওয়াজ, সাবেক শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সাদিকুজ্জামান,উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং অন্যান্যরা।

চরাঞ্চলে ২২১টি সংযোগের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগের যাত্রা শুরু হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল বলেন, চরের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আজ বাস্তবে রুপ নিতে চলেছে। বিদ্যুত সংযোগ পাওয়ায় চরের মানুষের জীবনযাত্রায় আমুল পরিবর্তন আসবে।

দৌলতপুর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কে এম তুহিন মির্জা জানান, দুর্গম চর হওয়ায় সেখানে বিদ্যুতের লাইন স্থাপন ও মালামাল পরিবহন খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। পদ্মা নদীর মাঝ দিয়ে সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে লাইন নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর দুই ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৮ হাজার পরিবার বিদ্যুতের আওতায় আসবে।

সরওয়ার জাহান বাদশাহ এমপি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মাত্র দুই বছরের মাথায় চরে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পেরেছি। চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের জন্য রাস্তা নির্মাণ ও পদ্মা নদীর ভাগজোত পয়েন্টে একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

নতুন সংযোগ নিয়ে প্রায় আড়াইশো কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার টার্গেট নেয়া হয়েছে আগামী মার্চের মধ্যে। ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে এই শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে সরকার।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।