দৌলতপুরে বাকপ্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা

প্রকাশিত: ২:৩২ পূর্বাহ্ণ, জুন ১, ২০২০

 

দৌলতপুর প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের ঝাউদিয়া গ্রামে এক বাকপ্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রী (১৫) ধর্ষণ হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

গত ৩১ মে রবিবার সকাল ১১টায় এ ঘটনা ঘটে, এ বিষয়ে স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন জানান, তাদের পরিবারে মোট সদস্য সংখ্যা ৫ জন, পুরুষ মাত্র একজন সে দেশের বাইরে থাকে। পরিবারের অন্যান্য মহিলারা কাজের তাগিদে বাইরে গেলে বাকপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ করে একই এলাকার রবকুলের ছেলে তুহিন (৩০)।

এ বিষয়ে বাকপ্রতিবন্ধীর প্রতিবেশীরা জানাই, প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রীর মা ও ভাবী বিশেষ কাজে বাইরে গেলে তুহিন সুযোগ বুঝে বাকপ্রতিবন্ধীর ঘরে প্রবেশ করে এবং জোর পূর্বক ধর্ষণ করে, প্রতিবন্ধীর আত্মচিৎকারে লোকজন ছুটে এলে তুহিন পালিয়ে যায়।

পরে প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী তার ভাষায় সব ঘটনা খুলে বলে, তার ভাষা অনুসারে তাকে বিভিন্ন বাড়ি বাড়ি ঘুরিয়ে নিলে প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রী তুহিনের বাড়ি দেখায়ে দেয় এবং তুহিনকে শনাক্ত করে।

এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে। এ বিষয়ে দৌলতপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আবুসালে মজনুল কবির পান্না সহ সকল শিক্ষক কর্মচারী বৃন্দ জানান, ২০১৫ সাল থেকে বাক প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রী দৌলতপুর প্রতিবন্ধী অটিজম বিদ্যালয় অধ্যয়নরত আছেন। এই বাক প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রীর আচার ব্যবহার অত্যন্ত ভালো।

যে পশু এই ধরনের কাজ করেছে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি, যেন এই ধরনের কাজ এই শাস্তি দেখে আর কেউ না করে। এ বিষয়ে তুহিনের বাড়িতে গেলে তুহিন ও তুহিনের পিতাকে বাসায় পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে তুহিনের বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন মা ও তুহিনের স্ত্রী জানায়, এই ঘটনা মিথ্যা আমাদেরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এস.এম. আরিফুর রহমান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় দৌলতপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে যাহার নং ৩৬ এবং দৌলতপুর থানা পুলিশ আসামিকে আটক করার জন্য তৎপর আছে।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।