দৌলতপুরে চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারণা

প্রকাশিত: ১:৩৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০২০

 

দৌলতপুর প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া দৌলতপুরে পুলিশের চাকুরী দেওয়ার নাম করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র, অর্থ দিতে গিয়ে মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবার সর্বশান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গেলে উপজেলার বোয়ালীয়া ইউনিয়নের মধুগাড়ী গ্রামের মজির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে আমার প্রতিবেশী মৃত জামির মন্ডরের ছেলে আব্দুল লতিফ ও প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি গ্রামের ভাদুর ছেলে দুলাল, আমার ছেলে রাকিব কে পুলিশের চাকুরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে লতিব ও দুলাল আমার সাথে পুলিশের কনস্টেবল পদে লোক ধরে চাকুরী নিয়ে দিবে তার জন্য ১২ লক্ষ টাকা চুক্তি হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি নাজিম উদ্দিন, সিরাজ শেখ ও ইউ পি সদস্য ফারুক হোসেনের উপস্থিতে ৩ লক্ষ টাকা দেই।

পরে আমার ছেলে রাকিবকে ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে কুষ্টিয়ায় কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য নিয়ে যায়।
সেখানে পরীক্ষায় টিকে ওয়েটিং লিস্টে আছে, এমন ব্যবস্থাপত্র দেখায় লতিব। ওয়েটিং লিস্টে থাকা কাগজপত্র দেখিয়ে ওয়েটিং কাটাতে হবে এ জন্য একদিনের ভিতর আরো সাত লক্ষ টাকার দাবি করে, বাধ্য হয়ে আবাদি জমি কম দামে বিক্রয় করে ও সুদে টাকা নিয়ে সাত লক্ষ টাকা পরিশোধ করি। তারপর ও আমার ছেলের চাকরি হয় নাই।

আজ তিন বছর হতে চলেছে লতিব ও দুলাল তিন লক্ষ টাকা ফিরত দিলেও বাকী সাত লক্ষ টাকা ফিরত দিচ্ছেনা।
লতিবের মুঠোফোনের নাম্বার নিয়ে যোগাযোগ করেলে লতিব ফোন উঠান এবং সাংবাদিক পরিচয় দিলে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান,তিনি বলেন আমি যে তিন লক্ষ টাকা নিয়েছি সেটা ফিরত দিয়েছি বাঁকী কোন টাকা আমি নেই নাই। পুলিশের চাকুরী কি টাকা দিয়ে হয়, এমন প্রশ্ন উত্তরের কোন সদুত্তর দিতে পারেনি আব্দুল লতিফ।

এদিকে আরেক অভিযুক্ত দুলালের সাথে যোগাযোগ করতে লতিবের দেওয়া তথ্য গরমিল হয়ে যায়। দুলাল জানান, আব্দুল লতিব আমার মামা যেই দিন টাকার লেনদেন করেছে, সেখানে বেড়াতে গিয়ে দেখেছিলাম মামার বাড়িতে । কিন্তু যে টাকা আমার উপস্থিতিতে লেনদেন হয়েছে তা চার লক্ষ টাকা আমার উপস্থিতিতে আবার ফিরোত দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ জানায়, এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হলে, এলাকার আইন শৃঙ্খলা সুষ্ঠ রাখার স্বার্থে তাদের ডাকা হলে লতিব থানায় আসেন নাই।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।