কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক দিনের খবরের সম্পাদক ফেরদৌস রিয়াজ জিল্লুর অস্বাভাবিক মৃত্যু

এনামুল হক রাসেল এনামুল হক রাসেল

,সম্পাদক, দ্য বিডি রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২০
দৈনিক দিনের খবর পত্রিকার সম্পাদক ফেরদৌস রিয়াজ জিল্লু

নিজস্ব প্রতিবেদক : কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক দিনের খবর সম্পাদক ফেরদৌস রিয়াজ জিল্লুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি অফিসে যান। তারপর অসুস্থ্য হয়ে গেলে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে তার সাথে থাকা দুই সহকর্মী।

 

 

 

এরপর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার মুসা কবির জানান, বিষাক্ত মদ্যপান করে দিনের খবরের সম্পাদক অসুস্থ্য হয়ে গেছেন। তার আইসিইউ সার্পোট দরকার। তাই তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হচ্ছে। ঢাকায় নেয়ার পথে মধ্যরাতে গোয়ালন্দ এলাকায় তিনি মারা যান।

 

 

হাসপাতালে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জিল্লু অসুস্থ্য অবস্থায় ডাক্তারকে জানিয়েছেন তিনি সহ চারজন মদ্যপান করেছিলেন। জিল্লু অসুস্থ্য হয়ে যাওয়ার পর যে দুইজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে তারা তার মদের আসরে ছিলেন। জিল্লুর মৃত্যু হলেও তাদের মদ্যপান করে কিছুই হয়নি।

 

 

এ ব্যাপারে একাধিক ডাক্তারের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, যদি চারজন মিলে বিষাক্ত মদপান করে থাকেন তাহলে তারা সকলে অসুস্থ্য হবেন। সবাই মারা নাও যেতে পারেন তবে অসুস্থ্য না হওয়ার কোন কারণ নেই। এখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অকার্যকর। বিগত সময়ে দেখা গেছে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিষাক্ত মদ্যপান করে এক সাথে অনেকজনের মৃত্যু হয়েছে। কুষ্টিয়ার শহরেও বিষাক্ত স্পিরিট পান করে একসাথে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

 

 

এদিকে জিল্লু সহ চারজন একসাথে মদ্যপান করলো আর জিল্লু বিষক্রিয়ায় মারা গেলো আর অন্যদের কিছু হলো না এটা সাংবাদিকরা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। সংবাদিক নেতৃবৃন্দের বক্তব্য তার সাথে থাকা সহকর্মীরা তাকে হত্যা করেছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।

 

 

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, জিল্লুর অফিস সহ ওই মার্কেটের তিনটি অফিসে নিয়মিত মদের আসর বসে। বিষয়টি প্রশাসনকে একাধিক বার জানানোর পরও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ইতিপূর্বে যদি মদের আসর গুলোতে অভিযান চালাতো তাহলে জিল্লুর এই অকাল মৃত্যু হতো না। জিল্লুর মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।