কুষ্টিয়ায়  বৃটিশ বিরোধী বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাংচুর , জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক-৩

এনামুল হক রাসেল এনামুল হক রাসেল

সম্পাদক, দ্য বিডি রিপোর্ট ২৪ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:১৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৮, ২০২০

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ায় আবারও ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে কমারখালীর কয়া ইউনিয়নে কয়া মহাবিদ্যালয় চত্বরে নির্মিত বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী নেতা বাঘা যতীনের ভাস্কর্যটি ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩জনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

 

 

আটকৃতরা হলেন- কয়া বাঘা যতীন ডিগ্রী কলেজের সভাপতি এ্যাড. নিজামুল হক চুন্নু, অধ্যক্ষ হারুনর রশিদ ও নৈশ প্রহরী খলিলুর রহমান।

 

 

 

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মানাধীন ভাস্কর্যটি দুর্বৃত্তরা ভাংচুরের ঘটনায় কুষ্টিয়াসহ সারাদেশে প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠে।

 

 

 

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে বাঘা যতীন কলেজ চত্বরের আবক্ষ ভাস্কর্যটি ভাঙা দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়।

 

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিবুল ইসলাম খান জানান, বিপ্লবী বীর বাঘা যতীনের মুখ ও নাকের একাংশ ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা কুষ্টিয়াতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার পর আমরা প্রশাসনিক ভাবে যেভাবে দুর্বৃত্তদের আটক করেছি এঘটনায় ও খুব দ্রæত দোষীদের খুঁজে বের করা হবে।

 

 

 

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, সকাল ১১ টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। ইতোমধ্যে কুষ্টিয়া পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর তদন্ত কাজ শুরু করেছে। যারাই জড়িত থাক তাদের খুব দ্রæত আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

 

 

 

কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার এস এম তানভির আরাফাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, এমাসের শুরুর দিকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের পর সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসন, পুলিশসহ প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেখানেই ভাস্কর্য আছে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু এখানে বাঘা যতীনের আবক্ষ ভাস্কর্যটি আছে সেটা আমাদের জানানো হয়নি। সেকারণে কলেজ কতৃপক্ষ দায় এড়াতে পারেন না। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।