আইডি হ্যাক বলে থানায় জিডি: এরপর ভিডিও কল

কুষ্টিয়ায় কোচিং মালিক পাশার ম্যাসেঞ্জারে একের পর এক নারীকে কুপ্রস্তাব

এনামুল হক রাসেল এনামুল হক রাসেল

,সম্পাদক, দ্য বিডি রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৪:৩৪ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া শহরের সরকারী কলেজের সামনে পাশা টিচিং হোম নামের একটি কোচিং সেন্টার বানিয়ে একের পর এক নারীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে নয়ন আহমেদ পাশা। ওই ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে বলে থানায় জিডি দায়ের করেছেন পাশা। কিন্তু ওই আইডি থেকে একাধিক মেয়েকে ভিডিও কল দিয়েছেন যাতে পাশাকে দেখা গেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

 

 

 

গত ৩ বছর আগে এক মেয়ের অভিযোগের পর তিনি থানায় জিডি দায়ের করেন। তারও ওই আইডি বহাল রয়েছে। আর ওই আইডি থেকে তিনি বিভিন্নজনকে ভিডিও কল দিয়েছেন। গত ২ বছর আগে কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকার এক মেয়েকে কুপ্রস্তাব দেন। ওই মেয়ে তার দুলা ভাইকে জানালে পাশা গিয়ে তার পা ধরে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। গত দুই বছর আগে আমলাপাড়া এলাকার আরেক নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় তার আত্মীয়স্বজন পাশাকে তার অফিসের মধ্যে গণধোলাই দেয়। ১ বছর আগে ঈদপাড়া এলাকার এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয় পাশা। গত ৬ মাস আগে কোর্টপাড়া এলাকার এক বিবাহিত নারীকে কুপ্রস্তাব দেয়। গত তিনদিন ধরে এক সাংবাদিকের মেয়েকে বারংবার কুপ্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে পাশা।

 

 

 

এ ব্যাপারে পাশার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, তার আইডি হ্যাক হয়েছে অন্য কেউ তার আইডি ব্যবহার করছে। গত দুই মাস আগে তিনি থানায় জিডি করেছেন। কিন্তু ভুক্তভোগী মেয়েটির অভিযোগ পাশা তাকে মঙ্গলবার রাতে ভিডিও কল দিয়েছিলো। তিনি পাশাকে ভিডিও কলে দেখেছেন। ভুক্তভোগীরা বলছেন, যখনই পাশা মেয়েদের কুপ্রস্তাব করেন আর যারা তাকে গিয়ে চ্যালেঞ্জ করে তাদের তিনি জিডির কাগজ দেখান। প্রতিবেদককে জানিয়েছেন দুই মাস আগে জিডি করেছেন। কিন্তু এর আগের ঘটনাগুলোতে যখন তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ভুক্তভোগীরা তখনও তিনি বলেছেন আইডি হ্যাক রয়েছে। থানায় জিডি রয়েছে। গত তিন বছর যাবৎ একই ডায়লগ দিয়ে যাচ্ছে পাশা।

 

 

 

পাশাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য জোর দাবী জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। কোচিং এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন কোচিং সেন্টারে নিয়মিত ইয়াবা সেবনের আড্ডা বসায় পাশা। পাশাকে গ্রেফতার করে তার ড্রপ টেষ্ট করলেই এলাকার বাসীর অভিযোগ প্রমাণিত হবে বলে জানিয়েছেন।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।