কুষ্টিয়ার আমলাপাড়ায় এনডিডি প্রটেকশন অব সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার পরিদর্শনে খালেদ মাহমুদ সুজন

এনামুল হক রাসেল এনামুল হক রাসেল

সম্পাদক, দ্য বিডি রিপোর্ট ২৪ ডটকম

প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০২১
অটিজম শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘এনডিডি প্রটেকশন অব সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার’ পরিদর্শণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, অটিজম যেহেতু অনিরাময় যোগ্য রোগ, তাই এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করতে হবে। অটিষ্টিক শিশুরা যেন এখান থেকে সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারে এর ব্যাবস্থা করার তাগিদ দেন তিনি।

 

রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের আমলাপাড়ায় অবস্থিত কুষ্টিয়া শহর সমাজসেবা সমন্বয় পরিষদের অধীনে গড়ে ওঠা অটিজম শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘এনডিডি প্রটেকশন অব সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার’ পরিদর্শণকালে তিনি একথা বলেন।

 

তিনি বলেন, অটিজম এখন বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে আছে, তবে এসব বিষয় নিয়ে অনেক কাজও করছে সরকার।তবে বাচ্চা অটিজমে আক্রান্ত হলে বুঝতে পারলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশেষ অটিজম স্কুলে দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়। বাংলাদেশে এ বিষয়ে অনেক কাজ হচ্ছে, মানুষও সচেতন হচ্ছে কিন্তু মন্থর ভাবে।

 

 

সকলকে আপনারা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ছোট পরিসরে শুরু করেছেন। আগামীতে আরও বড় পরিসরে যাবে। আমাদের সবারই দায়িত্ব আছে তাদের সুস্থ্য করতে এবং তাদের পাশে দাঁড়াতে। এছাড়াও সরকারী বেসরকারী কিংবা বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

এসময় তিনি শিক্ষক ও অভিাববকদের সাথে কথা বলেন। এবং শিশুদের জন্য চকোলেট মিষ্টি উপহার তুলে দেন।

এনডিডি প্রটেকশন অব সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আফসানা বেগম জানান, আটিজম শিশুদের জন্য পরিচালিত এ স্কুলটিতে প্রতিটি বাচ্চার সব সময় বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। আমরা চাই সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এ সব শিশুদের পাশে এগিয়ে আসুক। ভালবাসার হাত বাড়িয়ে দিক”। তিনি বলেন, আমাদের এই প্রতিষ্ঠানে শহরের বিভিন্ন এলাকার ৩৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়াও মোট ১০ জন শিক্ষক কর্মচারী আছে।

 

তিনি আরও বলেন, “একজন অটিজমে আক্রান্ত শিশুর মা এবং একজন স্পেশাল এডুকেটর হিসেবে আমি বলবো অনেক পরিবর্তন এসেছে। এতোকিছুর পরেও আমি মনে করি অটিজম শিশুদের জন্য আরও শিক্ষাবিস্তার এবং তাদের পরিচর্যার জন্য বেশি বেশি কাজ করতে হবে।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।