কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিলের কবলে গ্রাহকরা

এনামুল হক রাসেল এনামুল হক রাসেল

,সম্পাদক, দ্য বিডি রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ, মে ৬, ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধি: করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় হাজার হাজার গ্রাহক দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিল এর কবলে পড়েছে ঘরে অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। বিভিন্ন এলাকায় অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ বিল আশায় গ্রাহকরা অভিযোগ করে জানান, প্রতিমাসে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল আসে তার থেকে কয়েক গুণ বেশি বিল এসেছে এবার যদি ঘরে বসে নিরূপণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তারা। মার্চ মাস থেকে এপ্রিল মাসে এমন অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ বিল আসায় বিপাকে পড়েছেন এসব হাজারো বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

 

 

জেলার কুমারখালী উপজেলার এলাকার মিজানুর রহমান জানান আমার মার্চ মাসের বিল এসেছে ৫০১ টাকা কিন্তু এপ্রিল মাসে বাড়িতে না এসে ৭৪৫ টাকা।

 

 

এমন অভিযোগ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার দাদাপুর সড়কের প্রফেসর ড. আনারুল করিমের। তার বাসায় মার্চ মাসে এসেছিল ১৩৮৯ টাকা কিন্তু এপ্রিল মাসে তা এসেছে ৩০৪৫ টাকা। তিনি বলেন গত মাসের থেকে বেশি দিলে সেটা আমার বোধগম্য নয়।

দৌলতপুরের খলিসাকুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুসের মার্চ মাসের বিল এসেছে ৪০০ টাকা কিন্তু এপ্রিল মাসে বাড়িতে না এসে ৯৮৯ টাকা বিল ।

নুর মোহাম্মদ নামের মিরপুর উপজেলার মশান এলাকার এক গ্রাহক জানান, মার্চ মাসে ৩১২ টাকা বিল হয়েছে এরপর ৫৭৪ টাকা। আমি গরিব মানুষ এত টাকা আমি কিভাবে দেব।

মার্চ মাসে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল ব্যবহার করেছেন তার থেকে বরং কম পরিমাণ বিদ্যুৎ এপ্রিল মাসে ব্যবহার করেছেন গ্রাহকরা তবুও সংসারে অতিরিক্ত চাপ পড়েছে বলেও জানান গ্রাহকরা। আনারুল ইসলাম জানান এসব ভুলের কারণে আমরা আর এর সমাধান চাই দ্রুত।

 

 

 

এদিকে করোনা দুর্যোগের কারণে আগামী জুন মাস পর্যন্ত কোন বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হবে না বলে জানান দেওয়া হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ বিলের কপি পিছনে লেখা আছে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক করা হলো কমবেশি হলে সমন্বয় করা হবে। তবুও গ্রাহকরা চাপের কারণে অতিরিক্ত বিল দিতে বাধ্য হচ্ছে তবুও আবার তার থেকেও বেশি বিলের কোন সদুত্তর দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

 

 

বজলুর রহমান নামের এক গ্রাহক জানান বিদ্যুৎ বিল সমন্বয় করার যে কথা রয়েছে সেটি বারাখাদা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে ঠিক করতে হয়। এজন্য সারা দিন কেটে যায় ভিড়ের কারণে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা লাগে। এসব অনিয়ম ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

 

গ্রাহকদের ভোগান্তি দেখার যেন কেউ নেই জানিয়ে আব্দুল মজিদ নামের আরও জানান, করোনার কারণে যদি বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদ্যুৎ বিল লিখতে না পারে মিটার রিডাররা। তাহলে বাড়ি বাড়ী পৌঁছে দিচ্ছে এসব বিদ্যুৎ বিলের কপি দিচ্ছে কিভাবে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা। এ অবস্থায় অতিরিক্ত সময়ের দাবি জানিয়েছেন তারা।

পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।